ওয়েব ডেস্ক : । এই চলমান প্রত্নতাত্ত্বিক খননের কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূত্রের খবর, এখানে ভারতের প্রাচীনতম মন্দিরের সম্ভাব্য আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনায় ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক এবং স্থানীয়দের মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনা এবং প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে। সুপ্রাচীন পার্বতী মন্দির এবং চৌমুখ নাথ মন্দিরের কাছে থাকা এই ঢিবিগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য খুঁজে বের করে তা সংরক্ষণ করে এএসআই। এএসআই দক্ষতার সঙ্গে মাটির নীচে চাপা পড়ে থাকা কোনও লুকানো ধন খুঁজে বের করার জন্য এই ঢিবিগুলি খনন করার সূক্ষ্ম কাজটি করছে।
সংবাদ মাধ্যমকে পান্না জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক নীলাম্বর মিশ্র জানিয়েছেন, গত এক মাস ধরে খনন কাজ চলছে। একটি ঐতিহাসিক স্থান আবিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই। মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা প্রাচীন সভ্যতার কোনও লুকানো অংশকে প্রকাশ করাই খননের প্রাথমিক লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্যদিকে, নাচনে গ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্বের উপর আলোকপাত করেছেন এএসআই-এর জবলপুর সার্কেলের সুপারিন্টেন্ডিং প্রত্নতাত্ত্বিক শিবকান্ত বাজপেই। পার্বতী মন্দির এবং বিখ্যাত চৌমুখা নাথ মন্দিরের অবস্থানের উল্লেখ করে, প্রাচীন স্থাপত্য আশ্চর্যের একটি সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসাবে এই গ্রামের গুরুত্বের ওপর জোর দেন তিনি। তিনি জানান, খনন প্রচেষ্টা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কারণ, প্রত্নতাত্ত্বিকরা ভূপৃষ্ঠের গভীরে যাওয়ার আগে কোনও লুকানো নিদর্শন বা কাঠামো উন্মোচন করার আগে সাবধানে উপরের স্তরগুলি খনন করেন।


